মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা খাদ্য ঘাটতি মিটাতে কৃষি অধিদপ্তর কর্তৃক আজ আজ বড়লেখা উপজেলায় ২১৫০ জন কৃষক কে সার বীজ বিতরণ করা হয় –উপস্থিত থাকেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব সোয়েব আহমদ, উপজেলা নির্বাহি অফিসার জনাব শামীম আল ইমরান, বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব আনোয়ার উদ্দিন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জনাব তাজউদ্দীন, উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব দেবল সরকার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব আব্দুল লতিফ।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় কাজ-কর্ম বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়া গরিব ও নিম্নআয়ের মানুষের পাশে ব্যক্তিগত উদ্যোগে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ। নিজের ও কয়েকজন ব্যবসায়ীর আর্থিক সহযোগিতায় ২ হাজার ২শত পরিবারে বিতরণ করেন খাদ্যসামগ্রী।সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে গাড়ি করে উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন এলাকায় খাদ্যসামগ্রীগুালো পৌঁছানো হয়। স্থানীয় লোকজন তালিকা ধরে গরিব ও নিম্নআয়ের মানুষের ঘরে খাদ্যসামগ্রীগুলো পৌঁছে দেন। প্রত্যেক পরিবার পেয়েছে আতপ চাল, আলু, মসুর ডাল ও সয়াবিন তেল।এসময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, পৌরসভার কাউন্সিলর জেহীন সিদ্দিকী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে নিত্যপণ্যের দোকান ছাড়া সবকিছু বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় কাজ-কর্ম না থাকায় বিপাকে পড়েছেন গরিব ও নিম্নআয়ের মানুষ। সরকার ও স্থানীয় সাংসদ এবং পরিবেশ মন্ত্রীর উদ্যোগে দশ ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত উদ্যোগেও অনেকে দিচ্ছেন। কিন্তু এরপরও অনেক মানুষ রয়েছেন যাদের খাদ্যসামগ্রী খুব জরুরী। তাই আমি ব্যক্তিগত অর্থে উদ্যোগ নেই। আমার এই কাজে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীও বিত্তবান এগিয়ে আসেন।
তিনি বলেন, প্রথম দফায় ২২০০ পরিবারে ১০ লাখ টাকার খাদ্যসামগ্রী পাঠিয়েছি। প্রাথমিক পর্যায়ে আরও প্রায় ১০ হাজার মানুষের খাদ্যসামগ্রী দরকার। সরকারি ত্রাণ তৎপরতা বাড়ানোর জরুরী। এছাড়া সমাজের বিত্তবান ও দানশীল মানুষকে এগিয়ে আসার আহবান করছি।’
বড়লেখা::মৌলভীবাজারের বড়লেখায় সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির (ওএমএস) ৮ বস্তা চাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউপির ভাটাউচি গ্রামের শুক্কুর আলীর বাড়িতে থেকে চালগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি। উপজেলার উত্তর শাহবাজপুরের নির্ধারিত চাল ডিলার সুলেমান মিয়া চালগুলো কালোবাজারে বিক্রির জন্য ভাটাউচি গ্রামের শুক্কুর আলীর বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিলেন। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরানকে জানান। পরে ইএনওর নির্দেশে খাদ্য অধিদপ্তরের লোকজন ও শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ শুক্কুর আলীর বাড়িতে গিয়ে চালগুলো উদ্ধার করে।
শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন শুক্রবার রাতে বলেন, ভাটাউচি গ্রামের শুক্কুর আলীর বাড়ি থেকে ৮ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়েছে। চাল ডিলার সুলেমান মিয়া চালগুলো কালোবাজারে বিক্রির জন্য ভাটাউচি গ্রামের শুক্কর আলীর বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিলেন। চালগুলো খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।বড়লেখা খাদ্য গুদামে ভারপ্রাপ্ত ম্যনেজার দীপক সুত্র ধর বলেন এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তাদের নির্দেশনা মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি
(অ্যাকশন শুরু) বড়লেখা উপজেলার ৪ নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের ভাটাউছি গ্রামের বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য অধিদপ্তর পরিচালিত ১০ কেজি দরের চাউলের ডিলার সুলেমান মিয়ার লুকায়িত ৮ বস্তা চাল ভাটাউছি গ্রামের আব্দুর শুক্কুর মিয়ার বাড়ি থেকে উদ্ধার। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
নভেল করোনাভাইরাস সতর্কতায় নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সরকারের এই আদেশে সন্ধ্যা ৬টার পর ঘরের বাইরে বের হতে নিষেধ করা হয়েছে। দিনে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যাওয়া যাবে না। আর এ নির্দেশ অমান্য করলেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। শুক্রবার বিকেলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এই ছুটি অন্যান্য সাধারণ ছুটির মতো গণ্য হবে না। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে অবশ্যই ঘরে অবস্থান করতে হবে। অতীব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না। প্রজ্ঞাপন বলা হয়েছে, জরুরি পরিষেবার (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট ইত্যাদি) ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা প্রযোজ্য হবে না। এতে আরো বলা হয়, কৃষিপণ্য, সার, কীটনাশক, জ্বালানি, সংবাদপত্র, খাদ্য, শিল্প পণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জামাদি, জরুরি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন এবং কাঁচা বাজার, খাবার, ওষুধের দোকান ও হাসপাতাল এ ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। প্রজ্ঞাপন আরো বলা হয়েছে, জরুরি প্রয়োজনে অফিস খোলা রাখা যাবে। প্রয়োজনে ঔষধশিল্প, উৎপাদন ও রফতানিমুখী শিল্প কারখানা চালু রাখতে পারবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, মানুষের জীবন জীবিকার স্বার্থে রিকশা-ভ্যানসহ যানবাহন, রেল, বাস সার্ভিস পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে। এতে আরো বলা হয় জনগণের প্রয়োজন বিবেচনায় ছুটিকালীন বাংলাদেশ ব্যাংক সীমিত আকারে ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু রাখার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।
মহামারী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধকল্পে ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে বড়লেখা থানার উদ্যোগে বড়লেখা বাজারে ( ১০ এপ্রিল) বিকেল ৫ ঘটিকায় হ্যানমাইক দিয়ে মানুষ কে সচেতন করা হয়।
আজ আছরের নামাজের পর হ্যানমাইক দিয়ে করোনাভাইরাস রোধে সচেতনতামূলক এলাউন্স করা হয় এ সময় উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শামীম আল ইমরান, বড়লেখা থানার অফিসার ইন-চার্জ জনাব ইয়াছিনুল হক সহ সকল পুলিশ সদস্যবৃন্দ।
উল্লেখ্য; অফিসার ইন-চার্জ ইয়াছিনুল হক দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তা কে জানান করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে মানুষ’কে সচেতন রাখতে দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে বড়লেখা থানা পুলিশ ও উনার নেতৃত্বে পুরো উপজেলায় পুলিশ সদস্যগণ করোনাভাইরাস রোধে জনসাধারণের মাঝে সচেতনতামূলক অভিযান সহ সার্বিক বিষয়াদি নিয়ে বড়লেখা থানা পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরোও বলেন আমরা সবসময় জনসাধারণের সেবায় আছি। এই মরনঘাতী করোনাভাইরাস রোধে সকল’কে সচেতন থাকতে হবে ও নিজ ঘরে অবস্থান করতে হবে এবং একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কেউ যেন ঘর থেকে না বের হোন সে ব্যাপারে সকলের প্রতি
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি আগামী ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। সেই সঙ্গে ২৪ ও ২৫ তারিখের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত থাকছে।
শুক্রবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়। ছুটির এ সময়ে দেশের সকল জনগণকে বাসায় অবস্থান করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানায়: আগামী ১৫ ও ১৬ এপ্রিল সাধারণ ছুটি থাকবে। এরপর ১৭ ও ১৮ এপ্রিল সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। পরে ১৯ থেকে ২৩ এপ্রিল থাকবে সাধারণ ছুটি। এর সঙ্গে যুক্ত হবে ২৪ ও ২৫ এপ্রিল সাপ্তাহিক ছুটি।
এর আগে প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এরপর দ্বিতীয় দফায় ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়। তৃতীয় দফায় ১২ ও ১৩ এপ্রিল ছুটি সাধারণ ছুটি আর পরদিন পয়লা বৈশাখের ছুটিও যুক্ত হয়। এবার চতুর্থ দফায় বাড়লো সাধারণ ছুটির মেয়াদ।
ডিজিটাল উপজেলার স্বপ্নদ্রষ্টা ! বড়লেখা উপজেলার গরিব-দুঃখী মেহনতি মানুষের আপনজন আমাদের নিক্সন চৌধুরী, জননেতা জনাব সোয়েব আহমদ। লকডাউনে ঘরবন্দি সাধারণ মানুষ যেন কষ্ট না পায় এবং অভুক্ত না থাকে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। সার্বক্ষণিক সবার খুজ খবর নিচ্ছেন, জরুরী প্রয়োজন ছাড়া আমরা ঘর থেকে বের হব না। একান্ত প্রয়োজনে বাহিরে বের হলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সরকারের নির্দেশিকা মেনে চলাচল করব, ইনশা’আল্লাহ্ কেউ অনাহারে থাকবেন না। সবার সুস্থতা কামনা করি।
সদয় অবগতির জন্যঃ করোনা ভাইরাসের কারনে, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষনা অনুযায়ী আজ পর্যন্ত বড়লেখা উপজেলায় ৫০.৫০০ মেট্র: টন চাল (মূল্য বিশ লক্ষ বিশ হাজার)। ইউ,পি চেয়ারম্যান ও মেম্বার এর মাধ্যমে ১০ কেজি করে ৫ হাজার ৫ শত পরিবারকে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া নিম্ন বৃত্তদের জন্য ১৯২.০০ মেট্রিকটন চাল(সরকারের ভর্তুকি ৫৭ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা) ৬ হাজার ৪শত পরিবারকে ১০ টাকা কেজি মূল্যে ৩০ কেজি করে ইউ পি ডিলারদের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে। এবং আরো ৪৬.৫৬০ মেট্র: চাল ( ১৮ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা) দু:স্হ মহিলা ১৫শত ৫২জন কে (ভি,জি,ডি) প্রদান করা হচ্ছে। মোট উপকার ভোগির সংখ্যা ১৩ হাজার ৪ শত ৬৪ পরিবার। (total 96 lac 6o thousand tk).পৌর শহরে ও,এম,এস কার্যকম চালু আছে। এান সংশ্লিষ্টদের জানানো যাইতেছে কোথাও অনিয়ম দেখা দিলে প্রশাসনের পাসাপাশি জনতার আদালতে কঠিন শাস্তি প্রদান করা হবে। সোয়েব আহমদ চেয়ারম্যান বড়লেখা উপজেলা পরিষদ।